বিএনপি ধানের শীষ তারেক রহমান।দেশ দেশের মাটি ও মানুষের সাথে হলেন একাকার। ভূমিধস বিজয়ের নিরঙ্কুশ জনসমর্থনে বিএনপি’র উপর ভরসা জনসাধারণের। প্রধান বিরোধীদল জামাতও পেলেন ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড করার মতো জনসমর্থন। প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগ বিহীর নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাংলাদেশের ভাগ্য জনগণের অধিকার রক্ষায় হাল ধরলেন বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান। বাংলাদেশের নতুন বাংলাদেশ আবার নতুন করে আলোচনায় এলো বিশ্ব দরবারে। ৩যুগ পর বাংলাদেশে প্রথম হতে যাচ্ছে পুরুষ প্রধানমন্ত্রী। শুধু দেশ দেশের সর্বস্তরের মানুষ মুখে মুখে। দেশের অভ্যন্তরে নয়, সর্বস্তরের দলমত মানুষের কাছে হলেন প্রশংসিত ও শ্রদ্ধা স্মরণে শীর্ষ আলোচিত। বিশ্ব গণমাধ্যমে বিএনপির ‘ভূমিধস’ জয়ের খবরে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে বিশ্ববাসীর কাছে সম্মানিত গ্রহণযোগ্যতা পেলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ তিন যুগ পরে হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের পুরুষ প্রধানমন্ত্রী । নির্বাসন থেকে রাষ্ট্রক্ষমতায় তারেক যুগ শুরু। ১৭ বছর পর সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ইতিহাস।
আন্তর্জাতিক সব গণমাধ্যমের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে বিএনপির জয়কে ‘ভূমিধস’ জয় অভিহিত করার পাশাপাশি একাধিক প্রতিবেদনে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেয়ার পর কর্মী-সমর্থতদের উদ্দেশে হাত নাড়ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেয়ার পর কর্মী-সমর্থতদের উদ্দেশে হাত নাড়ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। এই নির্বাচনের পর বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারাদিন বাংলাদেশের পথে পথে ছিল আনন্দ উল্লাস। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতনের পর প্রথম নির্বাচন ঘিরে জনগণের মধ্যে উচ্ছ্বাসের কমতি ছিল না। মহা আনন্দে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজ নিজ প্রার্থীকে ভোট দেন তারা।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে দুই শতাধিক আসনে জয় নিশ্চিত করেছে বিএনপি। নির্বাচনের নানা চিত্র সবিস্তারে উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও। ঐতিহাসিক এই নির্বাচনের সংবাদ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।
তুরস্কভিত্তিক বার্তাসংস্থা আনাদুলু জানায়, সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশজুড়ে মাত্র দু-একটি জেলায় ছোটখাটো সংঘর্ষ হলেও বড় কোনো ঘটনা সামনে আসেনি। নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেশজুড়ে ১০ লাখ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের বিষয়টিও তুলে ধরে আনাদোলু।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে ভোটারদের আশা-স্বপ্নের কথাও। বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা জানায়, উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোটগ্রহণ। জনগণের মধ্যে ঈদের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে বলে জানায় গণমাধ্যমটি।
আরও বলা হয়, এবারের নির্বাচনে অনেকেই ২০০৮ সালের পর এই প্রথমবার ভোট দিয়েছেন। তাদের স্বপ্ন, নতুন সরকার গঠনের পর দেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা আসবে। জোরদার হবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
স্থানীয় গণনার ভিত্তিতে বিবিসি, আল জাজিরা, সিএনএনের মতো গণমাধ্যমগুলো নির্বাচনে বিএনপির জয়কে ভূমিধস বিজয় হয়েছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। তারা বলেন, তারেক রহমানই হতে চলেছেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।
প্রতিবেশি দেশ ভারত ও পাকিস্তানের গণমাধ্যমের শিরোনাম জুড়ে ছিলো বাংলাদেশের নির্বাচনের খবর। ভারতের পর্যবেক্ষক দল না আসলেও দেশটির সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্র ঘুরে সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
বিএনপির বিজয়কে ‘বিশাল জয়’ আখ্যা দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে এনডিটিভি। আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা হওয়ার আগেই জাতিসংঘ একে ঐতিহাসিক বিজয় বলে উল্লেখ করেছে বলে জানায় ভারতীয় এই গণমাধ্যম। তারেক রহমানকে জয়ী ঘোষণা করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনও।



