সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে বাংলাদেশের দিকে। নতুন পথে হাঁটছে দেশ। সাম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চমক! শান্তিপূর্ণ ভোটে ও জনসমর্থনে বিএনপি ও তারেক রহমান দেশ-বিদেশে হচ্ছেন আলোচিত প্রশংসিত। শপথ গ্রহণে ভারত সহ ১৩ রাষ্ট্রপ্রধান কে জানালেন আমন্ত্রণ অন্তবর্তীকালীন সরকার । প্রত্যাশিত বাংলাদেশে তারেক রহমানকে জানিয়েছেন উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে আন্তরিক মোবারকবাদ।
সরকার গঠন ও শপথের আগে জামাতের আমির ড. শফিকুর রহমান ও এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এমন নজিরবিহীন সৌজন্যবোধ, সাক্ষাৎ দৃষ্টান্তমূলক কুশল বিনিময় সুস্থ ধারার রাজনীতির নতুন সমীকরণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। রাজনৈতিক গণতন্ত্রের ইতিবাচক ইতিহাসে নতুন ইতিহাস। বিএনপি ও রাজনৈতিক মহলে ফিরে পেল সৌন্দর্য সৌজন্যবোধ সম্প্রীতির রাজনীতির নতুন প্রাণের সঞ্চার। রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রাণের সঞ্চার, দেশ গড়তে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নাই। একসাথে গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ তারেক রহমানের বাংলাদেশ।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামায়াতের আমীরের বাসভবনে এরপর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সৌজন্যবোধ সাক্ষাতে রাজনীতি’র সৌন্দর্য্য, সবাই একসাথে গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসমর্থন জনগণকে তার এবং তার দলের পক্ষে নেওয়ার সার্থক সফল অভিনব কৌশল ছিল খুবই কষ্ট সাধ্য ও কঠিন। যা কোনভাবেই ছিল না সরল। সহজ সাধ্য নয়। সেই চ্যালেঞ্জ অসম্ভবকেই সম্ভব করেছেন তিনি।
তার রাজনৈতিক সফলতা ইঞ্জিনিয়ারিং এর একমাত্র শক্তি সাফল্য জনসমর্থন জনগণের আস্থা অর্জন। দেশ জনগণের স্বার্থেই গ্রহণ করবেন অভ্যন্তরীন আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। করবেন সকল গঠনমূলক প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিবর্তন। নাতিদীর্ঘ বিশেষ সাংবাদিক সভায় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচনী সফলতা। বিজয়ের পেছনে ইঞ্জিনিয়ারিং পরিকল্পনা, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট আলাদা আলাদা সংক্ষিপ্ত উত্তর দেন। নির্বাচনী ইশতিহার প্রতিশ্রুতি সব বিষয়েই একের পর এক বেশি-বিদেশী সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে প্রশংসিত আলোচিত হয়েছেন উপস্থিত সকল কূটনীতিবিদ রাজনীতিবিদ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দেশের সর্বস্তরের জনগণ ও দেশ বিশ্ব সর্ব মহলে।
তার কথায় প্রকাশ পেয়েছে দেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক ভেদাভেদ মতপার্থক্য দূরত্ব নয়। প্রয়োজন জাতীয় সকলের সহায়তা সহযোগিতা। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যের বিকল্প নাই। সৌজন্যবোধ বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা সুস্থ গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন রাজনীতিতে সৌজন্যবোধ আর পারস্পরিক শ্রদ্ধাই হলো সুস্থ গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। ন্যায় পরায়ণতা পরস্পরের প্রতি সম্মান রাজনৈতিক সহাবস্থান খুবই প্রয়োজন ।
এই সৌজন্য উপস্থিতি কেবল একটি সাক্ষাৎ নয়, বরং আগামীর আলোকিত সকল দল মতের সুন্দর ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের এক অনন্য প্রতিফলন। মুহূর্তের মধ্যেই প্রশংসায় আলোচনায় ইতিবাচক আলোচিত হয়েছেন সর্বমহলে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং গণমাধ্যম এবং সর্বস্তরের মানুষের মনে প্রাণে জায়গা করে নিয়েছেন দেশ নেতা তারেক রহমান।
সর্বমহলের প্রশংসায় পঞ্চমুখে আলোচিত হয়েছেন তিনি। প্রতিশোধ প্রতিহিংসা নয়, বিরোধ বিভেদ নয়, বরং হৃদ্যতা আর সংহতির মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলবো এক বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ। এই সুন্দর মুহূর্তগুলো দেশ প্রেমিক সকলের আমাদের মনে আশার আলো জাগায়। প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করলেই সুন্দর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এটাই রাজনীতি’র সৌন্দর্য্য, সবাই একসাথে গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। রাজনৈতিক শিষ্টাচার এমন হওয়া উচিৎ। শুধু নেতাদের মধ্য নয়। কর্মীদের মধ্যে এমন ভ্রাত্বৃত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরি হওয়া উচিৎ সকল দল-মত রাজনীতি দলের । অপক্ষমতা সর্বপরি কাঁদা ছোড়ার রাজনীতি পরিহার হোক!
দীর্ঘ দেড় দশক পর এমন ‘ভূমিধস’ বিজয় দলটির কর্মী-সমর্থকদের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।
তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক বিজয়ে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘আপনার নেতৃত্বে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক মোবারকবাদ। গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই স্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’
জামাত আমির ও এনসিপির আহ্বায়কের সাথে সাক্ষাৎ : তারেক রহমান জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসায় যান তিনি। এ সময় তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। সাক্ষাতের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। এ ছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
আমিরের সাথে সাক্ষাৎ শেষে এ-র পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর বাড্ডায় নাহিদের বাসভবনে পৌঁছান তিনি। তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ অন্য নেতারা। অন্যদিকে নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ছিলেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
রাজনীতি হোক দেশের জন্য জনগণের জন্য। হোক প্রতিহিংসামুক্ত সম্প্রীতির রাজনীতি। প্রতিপক্ষ দলের প্রতি সৌজন্য সাক্ষাৎ সম্প্রীতি বিনিময় সোহার্দ প্রকাশে এই কাজটা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। এমন দৃষ্টান্তমূলক দলীয় প্রধানের আন্তরিকতা আচরণে অনুভূতি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিক সচেতন মহল সর্বস্তরের জনসাধারণ। দেশ প্রেমিক রাজনীতিবিদ ও জনগণ।





