ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২, ২৮ শাবান, ১৪৪৭
সর্বশেষ
ফরহাদুল হাসান-রহমত উল্লাহ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক:(আসক)চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি 
জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার বিদায়ী ভাষণ:দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় দিন
নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ভয়াবহ প্রশ্ন টিআইবি’র:জালভোট ২১.৪ শতাংশ
প্রথমবার এমপি ২০৯, কোটিপতি ২৩৬, শত কোটিপতি ১৩: টিআইবি
শিষ্টাচার সৌজন্যবোধ শ্রদ্ধা সুস্থ গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি:তারেক রহমান
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবর:অসন্তোষ  ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের  ১টি অংশ 
ধানের শীষ প্রার্থী এহসানুল পরাজয় : দল বিলুপ্তি দায়ে প্রভাব প্রতিক্রিয়া জনমনে
এক দল ও গ্রামের ৩ এমপি’র চমক!একই বাড়ির সন্তান-২: উৎফুল্ল সারাগ্রাম চট্টগ্রামবাসী মোহাম্মদ মাসুদ
নির্বাচনী উৎসবে আনসার সদস্য নিহত ও আহতে : শোকেরছায়া বাহিনী ও পরিবারে
২৯৭ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হলেন যারা: দুই বছরের দুটি নির্বাচন 

প্রচ্ছদ >

দেশজুড়ে

নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ভয়াবহ প্রশ্ন টিআইবি’র:জালভোট ২১.৪ শতাংশ

ইতিবাচক সফল নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতায় রেকর্ড বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে অবাদ নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে দেশ বিশ্বের প্রশংসিত আলোচিত হয়েছে সর্বত্রই। বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

জাল ভোট দেওয়া হয়েছে ২১.৪ শতাংশ। এছাড়াও ‘গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক’ হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। পাশাপাশি, নির্বাচন ‘অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তমূলক’ হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামা ভিত্তিক পর্যবেক্ষণে এসব কথা বলেছে টিআইবি। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।

সেখানে আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে এই নির্বাচন ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক হল কী না’ এ নিয়ে আরো প্রশ্ন উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন ইফতেখারুজ্জামান।

নির্বাচনের দিন সংঘটিত অনিয়ম (টিআইবির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)

-ভোটারদের জোর করে নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা ৩৫.৭ শতাংশ
-জাল ভোট দেওয়া ২১.৪ শতাংশ
-বিধি লঙ্ঘন/আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ/অনিয়ম প্রতিরোধে প্রশাসন ও আইনশৃ ঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ২১.৪ শতাংশ
-ভোট গ্রহণের আগেই ব্যলটে সিল মারা ১৪.৩ শতাংশ
-বুথ দখল করা ১৪.৩ শতাংশ-প্রতিপক্ষের পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেওয়া ১৪.৩ শতাংশ
-আইনশৃ ঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ভোটারদের অসহযোগীতা ১০.৭ শতাংশ
-রিটার্নিং অফিসারসহ নির্বাচনে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পক্ষপাতমূলক কার্যক্রম ১০.৭ শতাংশ
-তথ্য প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা (ফোর-জি এবং ত্রি-জি নেটওয়ার্ক বন্ধ এবং সাংবাদিকদের মটরযান চলাচলে বাধা) ৭.১ শতাংশ
-ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনের তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা প্রদান ৭.১ শতাংশ
-আইনশৃ ঙ্খলা বাহিনীর রিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক কার্যμমের অভিযোগ ৭.১ শতাংশ
-ভোট গণনায় জালিয়াতির অভিযোগ ৭.১ শতাংশ
-ব্যালট পেপার শেষ হয়ে যাওয়া ৩.৬ শতাংশ
-নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের পর্যবেক্ষণে বাধা প্রদান ৩.৬ শতাংশ -অন্যান্য ৩.৬ শতাংশ

উল্লেখ্য : রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে ভোটের মতো প্রতি ছিল না মানুষের কোন আগ্রহ। সেখানে শান্তিপূর্ণ ভোট ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল ইতিবাচক ও সর্বমোহ হলে গ্রহণযোগ্য।  বাস্তবতায় যেখানে ভোট বলতে ছিল সংঘর্ষ রক্তাক্ত আর সহিংসতাই প্রশ্নবিদ্ধ। ছিল উত্তেজনা ভয় আতঙ্ক।  জান মাল নিরাপত্তাহীনতার চরমঝুঁকি। সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন ছিল কল্পনা ও অতীত। অবিশ্বাস্যকে সম্ভব করেছে নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে ভোট। অতীতে নির্বাচন গুলোতে ভোট না হলেও দেখানো হতো সন্তুষ্ট জনক ভোট গ্রহণ। এবারের ভোটার উপস্থিতি ছিল অন্যান্য ভরের মত উৎসবমুখর ও স্বতঃস্ফূর্ত। যা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে দেশের সর্বস্তরের মানুষ ও দেশ বিশ্বে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
 

Copyright© 2025 All reserved