ঢাকা, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র, ১৪৩২, ২৩ শাওয়াল, ১৪৪৭
সর্বশেষ
জায়গা-সম্পত্তি সীমানা বিরোধে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৎ ভাইকে রক্তাক্ত যখম হামলা
বাসার ময়লা নিতে টাকা নয়: ভুয়া ভেন্ডরদের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা চসিকের
প্লাস্টিক রিসাইক্লিং খাতে টেকসই উন্নয়নে ইপসা–স্মার্ট প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা
“স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ”—চট্টগ্রামে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন
চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর পলাতক সন্ত্রাসী অস্ত্রধারী হত্যা মামলার আসামি ‘গলাকাটা বাচা’ গ্রেফতার
সুস্বাদু রসালো ও মিষ্টি তরমুজ চেনার পাঁচ উপায়
জ্বালানি তেল সরবরাহে স্বচ্ছতা ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানান—ক্যাব চট্টগ্রাম
বাউবি চট্টগ্রাম বিভাগীয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত
অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৩৩ কেভি লাইনের খুঁটি ঝুঁকিতে, সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হুমকির
ঝুঁকির কিনারায় ব্যাংকিং খাত: সতর্কবার্তা ও উত্তরণের পথ

প্রচ্ছদ >

রাজনীতি

অ্যাড.ফরিদা আকতার সংরক্ষিত এমপি প্রত্যাশী :দীর্ঘ ৩৪ বছর রাজনৈতিক বর্ণাঢ্য ইতিহাস

দেশবরেণ্য সর্বজন সর্বমহলে রাজনৈতিক নক্ষত্র অভিভাবক। আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়া গ্রেপ্তারে প্রতিবাদে রাজপথে বারবার গ্রেফতার ও কারাবরণ। রাজপথে বারবার নির্যাতন প্রাণনাশী আঘাতে যখমী চিত্রে ভয়াবহতা। বেদম পিটিয়ে হাত ও পায়ের গোরালী ভেন্গে দেওয়ার লোমহর্ষক বীভৎস দৃশ্য ও গ্রেফতার। মিডিয়ায় প্রচার হয় দেশজুড়ে। বিএনপি তৃণমূল নেত্রী সংগঠক স্বেচ্ছাসেবক জনসমর্থন জনউৎসাহে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্ব পালনে মাঠে ময়দানে সক্রিয়।

নারীদের ক্ষমতায়নেই একমাত্র যার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। আলোচিত বহুগুণে প্রচার বিমুখ অ্যাডভোকেট ফরিদা আকতার চট্টগ্রাম – ৬, আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রাপ্ত, ২০১০ এ দলীয় মনোনয়নে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন,  সিনিয়র সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দল। ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রাথী যোগ্য জনবান্ধব নেত্রী হিসেবে অ্যাডভোকেট ফরিদা আকতার এলাকার সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা জনআকাঙ্ক্ষা ও জনদাবি।

বিএনপি নেত্রী তার একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি আমার রাজনৈতিক আদর্শ ও বংশ পরিচয়েও সৌভাগ্যবান ও গর্বিত। বিএনপি ও বিএনপি’র জন্ম লগ্ন থেকেই নিজ পারিবারিক বংশগত ধারাবাহিকতায় বিএনপির মতাদর্শে পারিবারিক ভাবে রাজনৈতিক অনুপ্রেরণায় আন্তরিক সদইচ্ছা সক্রিয় হন । অকৃত্রিম বন্ধন বিএনপি’র আদিঅন্ত থেকে দলের সকল দুর্দিন দুঃসময় থেকে আমি ও আমার পরিবারের পদচারণা এখনো রহমান।

সাধারণ জনগণের পাশে সদা সর্বদাই মাঠে ময়দানে নিরন্তন সক্রিয় কার্যক্রমে বিস্তারে বেগবান ছিলাম আছি স্বতঃস্ফূর্ত মনবলে । জীবনের সব কিছু দিয়েও দেশপ্রেমিক দল বিএনপির নির্দেশ পালনে সকল দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় চেতনায় আমৃত্যু সর্বদাই ছিলাম সদা জাগ্রত। সংগ্রামে আন্দোলনে রাজপথে ছিলাম আছি থাকবো। জনকল্যাণ অধিকার আদায়ে দল ও জনগণের স্বার্থে সিদ্ধান্তে অবিচল। যেকোনো নির্দেশ হাসিমুখে মেনে নিতে অঙ্গীকারবদ্ধ জীবনের শেষ নিঃশ্বাস রক্তবিন্দু দিয়েও। মিডিয়া সাক্ষাতে তিনি তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বিএনপি নেত্রী ফরিদার আকতার তিনি আরো বলেন, বিএনপি’র প্রবর্তক শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত বাসভবন থেকে খালেদা জিয়াকে যেদিন জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার দিনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ সমাবেশ চলাকালীন সময়ে গোপালী পুলিশ জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ( মন্ত্রী) সহ আমাকে বেদম পিটিয়ে হাত ও পায়ের গোরালী ভেন্গে দেওয়ার লোমহর্ষক বীভৎস দৃশ্য ও গ্রেফতার হই। ভিডিও মিডিয়ার মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে প্রচার হয়।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ৩৪ বছর ছাত্রজীবন থেকে রাজনৈতিক সংগ্রাম আন্দোলন শুরু করে বিএনপির সক্রিয়কর্মী রাজনৈতিক সমর্থনে কার্যক্রমে হামলা মামলা নির্যাতনের শিকার হই পদে পদে। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলের ভয়াবহতা ছিল আরো ভয়ংকর অকল্পণীয় । গনতন্ত্রের দাবিতে রাজপথে প্রকাশ্যে অন্তরালে নির্যাতনের কালো ইতিহাস। যা বর্ণনাতীত অকল্পনীয় বর্বরতার নিষ্ঠুরতায় অবসান হয় বিএনপির অসংখ্য শহীদ অগণিত গুম খুন হামলা মামলা পঙ্গুগুত্তের শিকার ও ছাত্র জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে । অনেকেই জানমাল বিষয় সহায়-সম্পত্তি সবকিছু হারিয়ে হয় নিঃস।

৫ ই জুলাই আগস্ট পতন হয় ফেসিট সরকারের। দেশপ্রেমিক দল নিঃস্বার্থ ও অকৃত্রিম বিএনপির বন্ধনে ত্যাগী যোদ্ধা আন্দোলনকারী সংগ্রামীদের গণঅভ্যুত্থানে মধ্য দিয়ে। “কথাই নয়, কাজেই পরিচয়” আমি চেষ্টা করেছি আমার দলের নির্দেশে আমার শরীরের শেষ বিন্দু রক্ত দিয়ে হলেও দেশের জন্য দলের জন্য জনগণের জন্য কিছু করতে কিছু বলতে। কিন্তু সে করাটা বলাটা কোনভাবেই ছিলনা সহজ সরল। দলের চেয়ারপারসন তারেক মেহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক দল বিএনপির আন্দোলনে ছাত্র জনতার সকলের সম্মিলিত সংগ্রামী বিপ্লবী ১৪শতোর অধিক শহীদের রক্তের বিনিময়ে শেখ হাসিনার ফেসিস্ট সব অপশক্তির হলো চির বিদায় অবসান। নতুন অধিকার স্বাধীনমুক্ত  মানুষের মনে প্রানে স্বপ্নে নতুন বাংলাদেশ। সবার আগে বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি দলের নির্দেশ পালনে রাজপথে আন্দোলন প্রতিবাদে কারণে অহেতুক রাজনৈতিক চারটি মামলায় ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক ঘর সংসার সবকিছুই ধ্বংস মৃতপ্রায় পরিস্থিতির শিকার হই। ফ্যাসিস্ট আমলের বিভীষিকাময় নিপীড়ন নির্যাতনের স্ট্রিম রোলার ইতিহাসের সবরকমের নিষ্ঠুরতা বর্বরতা নেককারজনক ঘটনাকে হার মানায়। একমাত্র বিএনপি দলকে প্রাণাধিক ভালোবাসা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণেই। সুস্থ জীবন পরিবার সব হারিয়ে অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতি শিকার হই। কখনো কখনো আত্মগোপনে একমাত্র আল্লাহর রহমতে কোন রকমে প্রাণে বেঁচে থাকা। আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া।

তিনি বলেন, লোক দেখানো রাজনীতি জনসভা নয়, আভিজাত্য চাকচিক্য প্রচার পোশাকে নয়, দলের জন্য সব রকমের ত্যাগের মানসিকতা তৈরি করা প্রয়োজন। রাজনীতি করতে দরকার দেশপ্রেম স্বেচ্ছাসেবামূলক সেবামূলক কাজে অনুপ্রেরণা উৎসাহ। নিঃস্বার্থ জনকল্যাণ জনমূখী সেবামূলক কাজে জীবনের শুরু থেকে এ পর্যন্ত হয়েছেন বহুভাবে বহুগুনে তৃণমূল সাধারণ জনগণের কাছে অকৃত্রিম ভালবাসা আন্তরিকতায় স্বতঃস্ফূর্ত অনুভূতিতে সার্বজনীন সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও সুপরিচিত।

তিনি বলেন, অর্থ স্বার্থ উদ্দেশ্য হাসিল নয়, দেশপ্রেমিক রাজনীতিকবিদ হিসেবে নিজেকে প্রচার প্রসার করার উদ্দেশ্য নয়। দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছি অকাতরভাবে সর্বস্তরের মানুষের অকৃত্তিম ভালোবাসায় হয়েছি সিক্ত। আমার রাজনৈতিক জীবনের পারিবারিক ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সংক্ষিপ্ত বিবরণী : আমি আমার পরিবার আদিঅন্ত বিএনপি’র রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমি অ্যডভোকেট ফরিদা আকতার ​শিক্ষাগত যোগ্যতা,পেশা আ্যডভোকেট হলেও সংগঠক স্বেচ্ছাসেবক সাধারণ জনগণ তৃণমূল মানুষের জন্য সব সময় ছিলেন আন্তরিক রাজনৈতিক জীবনেও রয়েছে তার বহুমাত্রিক অবদান। কিন্তু সব সময় ছিলেন তিনি প্রচার বিমূখ।

রাজনৈতিক মামলার বিবরণ : (মামলার সংখ্যা ০৪ ( চারটি ) টি। ​১. ২০১৮ইং সালে ৮ ফেব্রুয়ারী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গ্রেফতার করার প্রতিবাদ মিছিল থেকে গ্রেফতার হই এবং ৪২ দিন কারাবরণ করি। ২০১৮ইং সালে ৮ ফেব্রুয়ারী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গ্রেফতার করার প্রতিবাদ মিছিল থেকে গ্রেফতার হই ও ঐ গ্রেফতারের পর আরো দু’টি মামলা হয়, সন্ত্রাস বিরোধী আইন ও বিস্ফোরক মামলায় দেওয়া হয়। উক্ত মামলা দু’টির জন্য আরো ৫১( একমাস একুশ দিন) কারাবরণ করেছি। উক্ত মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে আবেদন করে। রিমান্ড শেষে আদালতে প্রেরন করে।

২০১০ ইং বেগম খালেদা জিয়াকে মঈনুল রোডের বাসভবনের থেকে বেরকরে দেওয়ায় দিনে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালিন সময়ে গোপালী পুলিশ জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ( মন্তী) সহ আমাকে বেদম পিটিয়ে হাত ও পায়ের গোরালী ভেন্গে দিয়েছে এবং সমাবেশ থেকে আমাকে গ্রেফতার করে। তা ভিডিও পুটেছে আছে, মিডিয়ার মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে প্রচার হয়। ঢাকা চট্টগ্রামে আন্দোলন করতে গিয়েও অনেক বার নিযাতিত হয়েছি। বারবার কারাবন্দী অহেতুক আটক, শারীরিক নির্যাতন, ষড়যন্ত্র গুম ও বলপ্রয়োগের শিকার পদে পদে।

​১/১১ থাকা অবস্থায় ১৪৪ ধারা ভংগ করতে গিয়ে ও ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে প্রায় দীর্ঘ সময় জেল-জুলুম ও পুলিশের পিটনি থেকে রক্ষা পাইনি। রাজপথ সহজ ছিল না তবু্ও গনতন্ত্রের দাবিতে রাজপথে অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। ২০০৭ তুখোড় আন্দোলনের ঢাকা ও চট্রগ্রাম অংশগ্রহণ। হরতাল, চলো ঢাকা চলো । ২০১৪ সালে ম্যাডামের নির্দেশে রাউজান উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান নিবাচন করেছি। ২০০৭ হতে প্রতিটা আন্দোলন সংগ্রাম করতে করতে আজ ১৭ বছর ধরে, গনতন্ত্রের দাবিতে রাজপথে অনেক নিযাতিত হয়েছি। মামলা এবং পুলিশের লাঠি চার্জ পিটনি থেকে রক্ষা পাইনি। গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন, হরতাল চলছে চলবে, আন্দোলন সংগ্রাম করতে করতে ৫ আগষ্টের দেশ রাহুলের গ্রাস হতে রক্ষা পেলো। ২০১৮ ইং দলের কঠিন সময়ে আমি একাদশ সংসদ রাউজান-৬, নির্বাচন এলাকা হতে বাছাইকৃত জাতীয়তাবাদী দলের নমিনেশন পেয়েছি,রাউজান আওয়ামী লীগের এমপির বিপক্ষে নিবাচনে অংশ গ্রহণ করি।

আমার দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ১৯৮২ ইং হতে দীর্ঘ ৩৪ বছর রাজনৈতিক ছাত্রজীবনের অনুপ্রেরণা এবং অভিজ্ঞতা থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রাথী হিসেবে
ত্রোয়োদশ জাতীয় সংসদের নারী সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হওয়ার আশা প্রকাশ করছি। দল আমাকে সুযোগ দিলে আমি আমার মেধা মনোনয়নের মাধ্যমে দেশ ও জনগনের সেবা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।ইনশাআল্লাহ। আমি আপনাদের এলাকাবাসী দেশবাসী সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করি।

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে শুধু সংসদেই নয়, বরং এলাকার জনগণের জবাবদিহিতা ও রুটি-রুজির সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবো। নারী ক্ষমতায়নে কার্যকরী ভূমিকায় অদম্য সক্রিয় থাকিব।

​বর্তমান দলীয় পরিচয় সমূহ: ​সিনিয়র সহ সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা, চট্টগ্রাম। সদস্য: জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটি। সাধারন সম্পাদক নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা। ​সাবেক সিনিয়র সহ সম্পাদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, চট্টগ্রাম মহানগর। ২০০০ ইং, সাবেক সাধারন সম্পাদক বৃহত্তর পা​চলাইশ থানা, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, চট্রগ্রাম মহানগর। ১৯৯১ইং, সাবেক সাধার সম্পাদক জাসাস ও সিনিয়র সহসভাপতি পাচলাইশ থানা, (১৯৯০ -৯১) ইং, চট্টগ্রাম মহানগর জাসাস সহ সম্পাদক মহানগর।

১৯৯৫ ইং আমার পারিবারিক ভাবে রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা:আমার মা : মরহুম আনোয়ারা করিম। রাউজান উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি, ৭৮/৭৯ সাল বিএনপির জন্ম থেকে জিয়াউর রহমানের হাতে কড়ি । খাল কাটা কমসূচি পালন এবং , গ্রাম সরকারের সদস্যা । আমার মায়ের অর্থায়নে সহীদ জিয়ার প্রথম মাজারের সাইনবোর্ড টি জিয়ার প্রথম মাজার প্রাঙ্গনে,”যতদিন রবে পদ্মা মেঘনা যমুনা বহমান, ততদিনে থাকবে জিয়াউর রহমান “। এ কবিতা টা সহ টাংগিয়ে দিয়েছেন, চুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি খালেদের মাধ্যমে এবং মাজার প্রাঙ্গনে দোয়া ও মিলাদ পড়া ও ফাতিহার ব্যাবস্তার জন্য সহযোগিতা করেন। ১৯৮১ সাল।

ঠিকানা : গ্রাম ও ডাকঘর ঊনসত্তর পাড়া,৯ নং পাহাড় তলি, ইউনিয়ন, উপজেলা রাউজান, চট্টগ্রাম। পরবর্তীতে ঐ ইউনিয়নে তিনবার মহিলা কাউন্সিলর ছিলেন।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মায়ের পদ পদবি :
সহ-সভাপতি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দল।
চেয়ারম্যান রাউজান উপজেলা জাতীয় মহিলা সংস্থা।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০  

Copyright© 2025 All reserved