চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর র্যাব হত্যা সন্ত্রাসী আস্তানা নির্মূলে হেলিকপ্টার ড্রোন সহ যৌথ বাহিনীর বিশাল প্রায় ৪ হাজার সদস্যের স্মরণকালের অভিযানে অপরাধ রাজ্য প্রশাসনের অধীনে। আটক হয়েছে একাধিক ঘটনার সংশ্লিষ্ট অপরাধী। চ্যালেঞ্জ সত্বেও অপরাধ দমনে সক্রিয় প্রশাসন। ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত জঙ্গলসলিমপুর হবে অস্থায়ী ক্যাম্প। চট্টগ্রামে সবচেয়ে বড় অভিযান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে।
দিনে দুপুরে প্রকাশ্য জনসম্মুখে চাঞ্চল্যকর র্যাব হত্যা, অবৈধ বসতি, থানায় লুট হওয়া অস্ত্রের ভান্ডার মজুদ, নানা ভয়ংকর অপরাধের অভয় আশ্রয়, ভূমি দস্যু, প্লট বানিজ্য, চাঁদাবাজি, নানা অপরাধী শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আটক দমন, অপরাধীদের আস্তানা নির্মূলে জঙ্গলসলিমপুর, আলিনগর, ছিন্নমূলে দিনব্যাপী চলছে সারাশি যৌথ অভিযান।
এতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে প্রায় সাড়ে তিন হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘিরে রেখেছে সমস্ত আস্তানা। বায়েজিদ ও বায়েজিদ লিংক রোডের কাছে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে অপরাধী ও অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এই বিশেষ অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৯ মার্চ (সোমবার) ভোরে অভিযান শুরু হয় এবং মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত চলার সম্ভাবনা রয়েছে।অভিযানে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
বিশাল অভিযানে (সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, এপিবিএন, বিজিবি) বড় ধরনের সাঁড়াশি @অভিযান চলছে। প্রায় ৪০০০ সদস্যের এই বিশেষ অভিযানে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
তথ্যমতে ,অভিযানের মূলে অপরাধীদের আস্তানা সমূলে ধ্বংস,নিঃসংশা নির্মমভাবে র্যাব হত্যাকারীদের আটক বেআইনিকাণ্ড দমন করাই লক্ষ্য উদ্দেশ্য। জঙ্গল সলিমপুর অভিযানে এই প্রথম হেলিকপ্টার সহ যৌথবাহিনী: ৫৫০ সেনা, ১৮০০ পুলিশ, ৪০০ র্যাব, ১২০ বিজিবি, এবং ৩০০ এপিবিএন সদস্য এই কমান্ডো স্টাইল অভিযানে অংশ নিচ্ছে, সাথে ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।
জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি গত কয়েক দশক ধরে অপরাধীদের অভয়ারণ্য এবং সরকারি পাহাড় দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ বসতি হিসেবে পরিচিত। তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং দখলদার উচ্ছেদ করাই প্রধান লক্ষ্য।
অভিযানের স্বার্থে পরিস্থিতিে এলাকাটির সমস্ত প্রবেশ ও বাহিরের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি সাম্প্রতিক সময়ে ঐ এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যতম বড় ও সমন্বিত অভিযান।
বিশাল অভিযানের প্রেক্ষাপটে ও প্রয়োজনীয়তা বিশেষ অভিযানের অপরাধীদের সঙ্গে ধ্বংস করায় উল্লেখ্য উদ্দেশ্য। গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় একজন র্যাব সদস্য (নায়েব সুবেদার মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া) নিহত হওয়ার পর এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দিনব্যাপী অভিযানে অনেককে আটক করা হয়েছে। তবে অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে অভিযান পরিচলনাকারী নেতৃত্বে থাকা কর্মকর্তাগন। প্রায় ৪০০০ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ আর্মি বিজেপি সহ যৌথ বাহিনীর চাঞ্চল্যকর এ অভিযান।
ভয় আতঙ্ক সন্ত্রাসী অপকাণ্ডের আরেক নাম জঙ্গল সেলিমপুর। দেশের ভিতরে আরেক দেশ জঙ্গল সলিমপুর, ছিন্নমূল, আলিনগর নামে পরিচিত। যেখানে আইন আদালত সবই অচল। গত ১৯ শে জানুয়ারি চাঞ্চল্যকর র্যাব হত্যা শীর্ষ আলোচিত হয় দেশজুড়ে। র্যাবের ডিডি হত্যার নেপথ্যে সন্ত্রাসীদের আস্তানা ও গ্রেফতারে।
জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে হেলিকপ্টার
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অ’ভি’যানে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। চট্টগ্রামে আইন’শৃ’ঙ্খ’লা বাহিনীর অভিযানে এবারই প্রথম হেলিকপ্টার ব্যবহার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





