নোয়াখালীর সুবর্ণচরে রক্ষকই ভক্ষক সরকারি শত কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাৎ নানা অপকাণ্ড অনিয়মের :তথ্যফাঁসে সংবাদকর্মী জীবন ঝুঁকি সহিংসতা প্রাণনাশের শিকার। খাসজমি বেদখল আত্মসাতের নেপথ্যে অপক্ষমতা রাজনীতিক ছত্রছায়া নানা প্রভাবিত অপক্ষমতায় রহস্যজনক অবস্থান নীরবতায় চরম নেতীবাচক অবস্থানে স্থানীয় প্রশাসন উপস্থিতি কার্যক্রম । প্রশাসনের নীরবতা নিষ্ক্রিয়তায় সক্রিয়তা আনয়নে সুনজরে আনতে একাধিক গণমাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায ব্যাপক প্রচারিত সত্ত্বেও। বারবার সংবাদ প্রকাশের পরেও ভূমি ব্যবসায়ী দালালদের বেপরোয়া তাণ্ডব আরো ভয়ংকর রূপে হিংস্র আক্রমণ প্রাণনাশের শিকার হন গণমাধ্যম কর্মী নিজেই।
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকারশিত সংবাদের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ন্যাক্কারজনক অঘটনের শিকার হন। এ বিষয়ে এ পর্যন্ত অতীতে বর্তমানে ভবিষ্যতে সংবাদ তথ্য প্রকাশ যারা করেছে। এবং ভবিষ্যতে যদি কেউ দুঃসাহস দেখালে তাদেরও অবস্থা আরো ভুক্তভোগী সাংবাদিকের চেয়েও ভয়ঙ্কর হবে বলে হুমকি প্রদান করেন। ভয়ে আতঙ্কে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন স্থানীয় সাংবাদিক। নিরাপত্তাহীনতয় প্রকাশ্যে কেউই মুখ খুলতে রাজি নয়।চাঞ্চল্যকর ভয়ংকর তথ্য জানালেন ভুক্তভোগী অঘটনের শিকার ঐ সাংবাদিক।
গত সোমবার (১৮ মার্চ) উপজেলার ২নং চরবাটা, চরমজিদ ভঞাহাটে প্রশাসন সারা জমিনে তদন্তে গেলে ভয়ংকর তাণ্ডব সৃষ্টি করে সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদার নেতৃত্বে একদল ভূমিদস্যু ও তাঁর অনুসারীরা। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার চরমঝুঁকিতে ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাংবাদিকমহন ও এলাকার জনসাধারণ ।
বেআইনিকাণ্ডে অভিযুক্ত অপরাধীদের কাছে তথ্য জানতে চাইলে উত্তরে বেদখলকারী ভূমি ব্যবসায়ী সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, উক্ত বিষয়ে প্রশাসনের সাথে সব রকমের অবগত সমঝোতা সমন্বয় করেই দীর্ঘদিন ধরে মহা কর্মযজ্ঞে সুকৌশলে অভিনব কায়দায় সংস্কারের নামে এসব কাজ করা হচ্ছে পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই। তারপরেও কেউ যদি এই বিষয়ে ভবিষ্যৎ বাঁধা অথবা প্রশ্ন করে উল্টা তাকেই চাঁদাবাজী নানা অনিয়মে ইস্যুতে তকমা টেক লাগিয়ে অপপ্রচার করা হবে। প্রয়োজনে আইনি রাজনৈতিক সামাজিক সব রকমের হয়রানিসহ হামলা মামলায় জটিলতায় জর্জরিত ফাঁদে ফেলে প্রভাবিত অপক্ষমতায় আরো ভয়ঙ্কর জবাব দেওয়া হবে। নিরাপত্তার ভয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে রাজি নয়।
সৎ দায়িত্বশীল রাষ্ট্রীয় সরকারি নীতি নির্ধারণকারী গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা সকলেই দর্শক ভূমিকায় রহস্যজনক অবস্থান। নামকা ওয়াস্তে আইনি পদক্ষেপের নামে ভূমিরক্ষক দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের চোর চোর খেলার নাটক একই অবস্থান বেআইনি কর্মকাণ্ড যেন দৃশ্যমান আলাদা প্রদেশ নিয়ম আইনে পরিণত হয়েছে।
দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিন ধরে বারবার নানাভাবে অবগত করলেও বহুবার বহু রকমের নামকাওয়াস্তে অভিযানের মধ্য দিয়ে সংস্কারের নামে সরকারি সম্পত্তি দখল বেদখল বেআইনি কাণ্ডের নানা অনিয়ম অসঙ্গতি সত্ত্বেও প্রশাসনের নীরবতা সখ্যতা সমঝোতার ভিত্তিতেই মাসের পর মাস ধরে চলছে সরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে আত্মসাৎ কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য বাড়ি কেন হস্তান্তর লেনদেন। সাধারণ জনগণ সচেতন মহল সংবাদকর্মী সকলেই দৃশ্য অদৃশ্য প্রভাবিত ক্ষমতায় জিম্মি।
খাসজমি দখলের মহোৎসব সরকারি সম্পত্তি লুটপাট কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যকায়ন দীর্ঘ ৮বছর ধরে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত। একসনা বন্দোবস্তের নামে শত নিয়ম। একসনা বন্দোবস্ত গ্রহীতাদের নেই আইনি বৈধতা। সরকারি খাস জমি পোক দখলকারীরা প্রভাবশালী অর্থবিত্ত ক্ষমতাবান। বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত খাস জমি গ্রহীতা তুমিহীন আর্থিক অক্ষম সাধারণ জনগণ। চাঞ্চল্যকর স্পর্শকাতর অবিশ্বাস্য ভয়ংকর তথ্যফাঁসে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি।
সরকারি সম্পত্তির উদ্ধারে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট মহলের রহস্যজনক অবস্থান অবহেলা নিষ্ক্রিয়তা নানা কারণে জনমনে প্রশাসনের সক্রিয়তার প্রশ্নে চরম নেতিবাচক মনোভাব। রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে রক্ষক যেন ভক্ষকের ভূমিকায়। সত্য প্রকাশে সংবাদ খালি ময়দানে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নাজেহাল হেনস্তার শিকার সাংবাদকর্মী ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ভূমি ব্যবসায়ী ভূমিদস্যু সঙ্ঘবদ্ধ দালাল চক্রের মিথ্যা প্রবাকান্ড অপপ্রচারের নুরুল নুরুল হুদা অভিযোগ
ঘটনাক্রমে, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হেনস্তার শিকার হয়েছেন।
ভূমিদস্যু চক্রটি সাংবাদকর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেই এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচারে নেমেছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে।
গত সোমবার (১৬ মার্চ) উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের ৩০৩ নং চরমজিদ মৌজার ভূঁইয়ারহাট বাজার ইসলামী ব্যাংকের বুথের বিপরীতে সরকারী খাস খতিয়ানের অন্তরভূক্ত ২১৪৯ দাগে সড়কের পাশে উচ্ছেদকৃত স্থানে সকালবেলা এই ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদার নেতৃত্বে একদল ভূমিদস্যু ও তাঁর অনুসারীরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ভূঁইয়ারহাট বাজারে সরকারি খাস জমি দখল করে দোকান ভিটি নির্মাণের কাজ চলমান রেখেছে ওসমান গনি নামের এক ব্যক্তির পরিবার। উপজেলা প্রশাসন থেকে উক্ত নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখিয়ে টিনের ছাউনির বিতরে ‘সজীব অটো পার্টস’ নামের ২টি দোকানের ভেতরে গোপনে রাজমিস্ত্রিরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো এমন সংবাদ পাওয়া যায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছবি-ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিক তাজুল ইসলাম।
ঘটনাস্থলে থেকে ছবি তোলার সময় সজীব অটোর মালিকের ছোট ভাই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডার রাজিব হঠাৎ সাংবাদিক তাজুলের হাত থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। এসময় রাজিব নিজের ফোন দিয়ে সাংবাদিকের ভিডিও ধারণ করেন এবং উল্টো তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করতে এসেছেন বলে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন।
একাধিক স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদা ঘটনাস্থলে এসে রাজিবের কাছ থেকে ওই ভিডিওটি সংগ্রহ করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার কিছুক্ষণ পর নুরুল হুদার মোটরসাইকেল ড্রাইবার মাসুম হোসেন রাজু তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে সাংবাদিক তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে ভিডিওটি পোস্ট সোস্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দেই।
স্থানীয় একাধিক সংবাদকর্মীরা জানান, পুরো বিষয়টি একটি পরিকল্পিত সিন্ডিকেটের কাজ। স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে যে, ওই অবৈধ দোকান ভিটি দখল ও নির্মাণ সচল রাখতে নুরুল হুদা বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন এবং তাঁর ছত্রছায়ায় ভূমিদস্যুরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাজুল ইসলাম বলেন, “আমি প্রশাসনের নিষেধ অমান্য করে কাজ করার ছবি তুলতে গেলে তারা আমার ওপর চড়াও হয়। আমার ফোন কেড়ে নিয়ে তারা নিজেরাই নাটক সাজিয়ে ভিডিও করে এবং সামাজিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন নিজের লোকজন দিয়ে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাই প্রশাসনের তরফ হতে।”
বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত নুরুল হুদার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, রাত্রে আমি এমন একটা অভিযোগ পেয়েছি। এন্ডুস করেছি। কোন এক অফিসার যাবে। যে অফিসারের নামে দেওয়া হয়েছে সে যাবে। মুনশিকে বলে দিচ্ছি যে অফিসার তদন্ত করছে সে যাবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে সক্রিয়তা আইনি সহায়তা দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আমার দায়িত্ব নয়, এটা উদ্ধার করা ইউএনও ও এসিল্যান্ডের কাজ।
আমার কাজ হল অভিযোগকারী কে তাকে কেউ হুমকি থ্রেট দিয়েছে কিনা। ভিন্ন অন্য কোন বিষয় আছে কিনা খতিয়ে দেখা। আইনি সংক্রান্ত কোন বিষয় হলে তাহলে আমি বিষয়টি দেখব সেটা আমার দায়িত্ব।
এদিকে একজন সংবাদকর্মীকে পেশাগত কাজে বাধা প্রদান ও সম্মানহানির ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা বিরাজ করছে। ফ্যাসিস্ট শাসন আমলের মতো গণমাধ্যমের মুখ বন্ধ রেখে কেউ কেউ সত্য প্রকাশে বাধাঁ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে জোর দাবি জানান স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা।
নানা প্রভাবিত অপক্ষমতায় রহস্যজনক অবস্থান নীরবতায় চরম নেতীবাচক অবস্থানে স্থানীয় প্রশাসন। প্রশাসনের সুনজরে একাধিক গণমাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায ব্যাপক প্রচার সংবাদ প্রকাশের পরেও ভূমি ব্যবসায়ী দালালদের বেপরোয়া তাণ্ডব আরো ভয়ংকর রূপে আক্রমণ প্রাণনাশের শিকার হন গণমাধ্যম কর্মী নিজেই। জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকারশিত সংবাদের পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এ বিষয়ে সংবাদ তথ্য প্রকাশ যদি কেউ করলে তাদেরও অবস্থা আরো ভুক্তভোগী সাংবাদিক চেয়েও ভয়ঙ্কর হবে ভয়ে আতঙ্কে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন স্থানীয় সাংবাদিক। নিরাপত্তার হয়ে প্রকাশ্যেকেউই মুখ খুলতে রাজি নয়।
গত সোমবার (১৮ মার্চ) উপজেলার ২নং চরবাটা, চরমজিদ ভঞাহাটে প্রশাসন সারা জমিনে তদন্তে গেলে ভয়ংকর তাণ্ডব সৃষ্টি করে সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদার নেতৃত্বে একদল ভূমিদস্যু ও তাঁর অনুসারীরা। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার চরমঝুঁকিতে ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাংবাদিকমহন ও এলাকার জনসাধারণ ।
বেআইনি কাণ্ড অভিযুক্ত অপরাধীদের কাছে তথ্য জানতে চাইলে উক্ত বিষয়ে প্রশাসনের সাথে সব রকমের অবগত সমঝোতা সমন্বয় করেই দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা হচ্ছে। কেউ যদি এই বিষয়ে বাধা অথবা প্রশ্ন করে উল্টা তাকেই চাঁদাবাজী নানা অনিয়মে তকমা টেক লাগিয়ে অপপ্রচার প্রয়োজনে আইনি হয়রানির হামলা মামলায় জটিলতায় জড়িত বলে প্রভাবিত ক্ষমতায় হুমকি ধাপ কি প্রদর্শন করেন।
সৎ দায়িত্বশীল রাষ্ট্রীয় সরকারি নীতি নির্ধারণকারী গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা সকলেই দর্শক ভূমিকায় রহস্যজনক অবস্থান। নামকা ওয়াস্তে আইনি পদক্ষেপের নামে ভূমিরক্ষক দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের চোর চোর খেলার নাটক একই অবস্থান বেআইনি কর্মকাণ্ড যেন দৃশ্যমান আলাদা প্রদেশ নিয়ম আইনে পরিণত হয়েছে।
দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিন ধরে বারবার নানাভাবে অবগত করলেও বহুবার বহু রকমের নামকাওয়াস্তে অভিযানের মধ্য দিয়ে সংস্কারের নামে সরকারি সম্পত্তি দখল বেদখল বেআইনি কাণ্ডের নানা অনিয়ম অসঙ্গতি সত্ত্বেও প্রশাসনের নীরবতা সখ্যতা সমঝোতার ভিত্তিতেই মাসের পর মাস ধরে চলছে সরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে আত্মসাৎ কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য বাড়ি কেন হস্তান্তর লেনদেন। সাধারণ জনগণ সচেতন মহল সংবাদকর্মী সকলেই দৃশ্য অদৃশ্য প্রভাবিত ক্ষমতায় জিম্মি।
খাসজমি দখলের মহোৎসব সরকারি সম্পত্তি লুটপাট কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যকায়ন দীর্ঘ ৮বছর ধরে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত। একসনা বন্দোবস্তের নামে শত নিয়ম। একসনা বন্দোবস্ত গ্রহীতাদের নেই আইনি বৈধতা। সরকারি খাস জমি পোক দখলকারীরা প্রভাবশালী অর্থবিত্ত ক্ষমতাবান। বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত খাস জমি গ্রহীতা তুমিহীন আর্থিক অক্ষম সাধারণ জনগণ। চাঞ্চল্যকর স্পর্শকাতর অবিশ্বাস্য ভয়ংকর তথ্যফাঁসে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি।
সরকারি সম্পত্তির উদ্ধারে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট মহলের রহস্যজনক অবস্থান অবহেলা নিষ্ক্রিয়তা নানা কারণে জনমনে প্রশাসনের সক্রিয়তার প্রশ্নে চরম নেতিবাচক মনোভাব। রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে রক্ষক যেন ভক্ষকের ভূমিকায়। সত্য প্রকাশে সংবাদ খালি ময়দানে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নাজেহাল হেনস্তার শিকার সাংবাদকর্মী ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ভূমি ব্যবসায়ী ভূমিদস্যু সঙ্ঘবদ্ধ দালাল চক্রের মিথ্যা প্রবাকান্ড অপপ্রচারের নুরুল নুরুল হুদা অভিযোগ
ঘটনাক্রমে, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হেনস্তার শিকার হয়েছেন।
ভূমিদস্যু চক্রটি সাংবাদকর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেই এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচারে নেমেছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে।
গত সোমবার (১৬ মার্চ) উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের ৩০৩ নং চরমজিদ মৌজার ভূঁইয়ারহাট বাজার ইসলামী ব্যাংকের বুথের বিপরীতে সরকারী খাস খতিয়ানের অন্তরভূক্ত ২১৪৯ দাগে সড়কের পাশে উচ্ছেদকৃত স্থানে সকালবেলা এই ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদার নেতৃত্বে একদল ভূমিদস্যু ও তাঁর অনুসারীরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ভূঁইয়ারহাট বাজারে সরকারি খাস জমি দখল করে দোকান ভিটি নির্মাণের কাজ চলমান রেখেছে ওসমান গনি নামের এক ব্যক্তির পরিবার। উপজেলা প্রশাসন থেকে উক্ত নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখিয়ে টিনের ছাউনির বিতরে ‘সজীব অটো পার্টস’ নামের ২টি দোকানের ভেতরে গোপনে রাজমিস্ত্রিরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো এমন সংবাদ পাওয়া যায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছবি-ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিক তাজুল ইসলাম।
ঘটনাস্থলে থেকে ছবি তোলার সময় সজীব অটোর মালিকের ছোট ভাই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডার রাজিব হঠাৎ সাংবাদিক তাজুলের হাত থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। এসময় রাজিব নিজের ফোন দিয়ে সাংবাদিকের ভিডিও ধারণ করেন এবং উল্টো তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করতে এসেছেন বলে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন।
একাধিক স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদা ঘটনাস্থলে এসে রাজিবের কাছ থেকে ওই ভিডিওটি সংগ্রহ করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার কিছুক্ষণ পর নুরুল হুদার মোটরসাইকেল ড্রাইবার মাসুম হোসেন রাজু তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে সাংবাদিক তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে ভিডিওটি পোস্ট সোস্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দেই।
স্থানীয় একাধিক সংবাদকর্মীরা জানান, পুরো বিষয়টি একটি পরিকল্পিত সিন্ডিকেটের কাজ। স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে যে, ওই অবৈধ দোকান ভিটি দখল ও নির্মাণ সচল রাখতে নুরুল হুদা বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন এবং তাঁর ছত্রছায়ায় ভূমিদস্যুরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাজুল ইসলাম বলেন, “আমি প্রশাসনের নিষেধ অমান্য করে কাজ করার ছবি তুলতে গেলে তারা আমার ওপর চড়াও হয়। আমার ফোন কেড়ে নিয়ে তারা নিজেরাই নাটক সাজিয়ে ভিডিও করে এবং সামাজিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন নিজের লোকজন দিয়ে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাই প্রশাসনের তরফ হতে।”
বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত নুরুল হুদার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, রাত্রে আমি এমন একটা অভিযোগ পেয়েছি। এন্ডুস করেছি। কোন এক অফিসার যাবে। যে অফিসারের নামে দেওয়া হয়েছে সে যাবে। মুনশিকে বলে দিচ্ছি যে অফিসার তদন্ত করছে সে যাবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে সক্রিয়তা আইনি সহায়তা দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আমার দায়িত্ব নয়, এটা উদ্ধার করা ইউএনও ও এসিল্যান্ডের কাজ।
আমার কাজ হল অভিযোগকারী কে তাকে কেউ হুমকি থ্রেট দিয়েছে কিনা। ভিন্ন অন্য কোন বিষয় আছে কিনা খতিয়ে দেখা। আইনি সংক্রান্ত কোন বিষয় হলে তাহলে আমি বিষয়টি দেখব সেটা আমার দায়িত্ব।
এদিকে একজন সংবাদকর্মীকে পেশাগত কাজে বাধা প্রদান ও সম্মানহানির ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা বিরাজ করছে। ফ্যাসিস্ট শাসন আমলের মতো গণমাধ্যমের মুখ বন্ধ রেখে কেউ কেউ সত্য প্রকাশে বাধাঁ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে জোর দাবি জানান স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা।





