ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৭ মাঘ, ১৪৩২, ২১ শাবান, ১৪৪৭
সর্বশেষ
৮২ ঘণ্টা নিষেধাজ্ঞা নিজ এলাকার বাইরে অবস্থান নিষিদ্ধ:ইসি
মিরসরাইয়ে অটিজম সেন্টার ঘিরে একাধিক অভিযোগ
চট্টগ্রামে নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ আনসার-ভিডিপি’র বর্ণাঢ্য আয়োজন
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ অবাধ সুষ্ঠু সম্পাদনে:সিএমপি’র ব্রিফিং প্যারেড
শেখ হাসিনার দুলাভাই সাবেক মেয়র বিএনপিতে যোগদান
চসিক’র পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে ১৫০টি ডাস্টবিন বিতরণ : চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার
ঘরে বসে এনআইডিতে ভোটকেন্দ্রের নাম ও নম্বর জানতে পারবেন সহজেই
গণঅধিকার পরিষদের আব্দুন নূর প্রার্থিতা প্রত্যাহার
হাটহাজারী অনলাইন প্রেসক্লাবের-২৬ কার্যকরী নির্বাচন অনুষ্ঠিত
সরকারি কর্মচারী গোলাম নয়, জনসেবা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে শপথবদ্ধ: ডিসি জাহিদুল

প্রচ্ছদ >

গ্রাম বাংলা

মিরসরাইয়ে অটিজম সেন্টার ঘিরে একাধিক অভিযোগ

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ঠাকুরদীঘি–বিশ্বরোড সংলগ্ন রায়পুর ও দুর্গাপুর এলাকায় অবস্থিত একটি তথাকথিত ‘অটিজম সেন্টার’কে কেন্দ্র করে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ ও বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন আজিজুল হক নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা।

অভিযোগকারী আজিজুল হক জানান, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে রায়পুর মৌজায় তার আবাসিক বসতবাড়িতে যাতায়াতের জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগের সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে অস্থায়ী প্রবেশপথ নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন।

এদিকে এলাকাবাসীর একটি অংশ অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে একটি অটিজম সেন্টার পরিচালনার কথা বলা হলেও বাস্তবে প্রতিবন্ধী শিশুদের কোনো নিয়মিত কার্যক্রম তাদের চোখে পড়েনি।

স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ও অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্বচ্ছতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তারা আরও অভিযোগ করেন, ওই প্রতিষ্ঠানের আশপাশের এলাকায় মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক বলে তারা মনে করছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানান, সেখানে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য অটিজম সেন্টার পরিচালনা করা হচ্ছে এবং সময় সময় স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আজিজুল হক তাদের গভীর নলকূপ ও গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন এবং সরকারি জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করেছেন। এ বিষয়ে তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান।

সাংবাদিকেরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে নলকূপ ভাঙচুর বা গাছপালা কেটে ফেলার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাননি বলে জানান।

এদিকে ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ২০২৩ সালের ১৪ জানুয়ারি তাদের ওপর পুনরায় চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
 

Copyright© 2025 All reserved