জীবন পথের এক অদ্ভুত বাঁকে এসে দাঁড়িয়েছি। আর ছোটটি নেই।মায়ের আঁচলে, বাবার শাসনে জড়িয়ে থাকার দিনগুলো পার করে ফেলেছি। আজকাল আর কেউ মামণি বলে ঘুম থেকে তোলে না,বের হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় জিনিস হাতের সামনে এনে দেয় না। জীবনই ধাক্কা দিয়ে তুলে দেয়,সময় প্রয়োজনীয় জিনিস হাতে তুলে দেয়।
এই সময়টার সবচেয়ে বড় উপলব্ধি হলো, “চলতে থাকাই জীবন, সয়ে যাওয়াই বাঁধন”। আমার মনে হয়, “এই সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিজের জন্য সময় ব্যয় করা। সকলের আনন্দ, উৎসবের আমেজে নিজের খুশির ঠিকানা বের করা।নাহয় একটা সময় প্রাণ হারিয়ে যায়।
আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হচ্ছে আমরা সম্পর্ক গুলোর গুরুত্ব পুরোপুরি বুঝতে পারি না। নিজের আনন্দের উৎস রচনা করতে গিয়ে অন্যের যেন মনঃকষ্টের কারণ না হই সেটা আমরা দেখার প্রয়োজন মনে করি না।কেউ আমার জন্য গলা জলে নেমে গেলো আর আমি তার জন্য পা ভিজাতেও পারলাম না, তবে এই একপেশে বন্ধন খুব হালকা হয়ে যায়।এইজন্যই প্রতিনিয়ত সম্পর্কে দূরত্ব সৃষ্টি হতে থাকে।
বৈষয়িক সুখ বিলাসের চাইতেও যদি প্রাণের চর্চা করা যেতো সম্পর্কগুলো পল্লবিত হয়ে উঠতো সহজেই।আমাদের নিঃশ্বাস গুলো হয়তো কখনোই ভারি হয়ে উঠতো না।
