ঢাকা, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র, ১৪৩১, ৫ শাওয়াল, ১৪৪৬
সর্বশেষ
বিএনপি চেয়ারপারসন’র উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর চন্দ্রনাথ মন্দির পরিদর্শন
বিএনপির গ্রুপ সংঘর্ষে: আহত যুবদল নেতা জিহাদের মৃত্যু
লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনায় আহতদের পরিদর্শনে:উপদেষ্টা ফারুক ই আজম-মেয়র শাহাদাত
সন্দ্বীপ ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট’স ফোরাম’র ঈদ পুনর্মিলন
জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্যোগে সাতকানিয়ায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
ফটিকছড়িতে পিবিআই তদন্ত শেষে বাদির উপর বিবাদীর হামলা
 “বাংলাদেশের চিত্র” পরিবার’র দ্বিতীয় দফায় ঈদ উপহার বিতরণ
৬৫০ টাকা কেজি গরুর মাংস, ডিম ডজন ১০৮ টাকা
রাষ্ট্র সংস্কারে প্রাণ দিতে হয় দিব : প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে আসব (এনসিপি)

ক্ষমতা,লোভ মোহ – এগুলো ভয়ংকর নেশা

ক্ষমতা, লোভ মোহ – এগুলো ভয়ংকর নেশা।এ নেশা রাজ্য ধ্বংস করেছে,সংসার ধ্বংস করেছে, ব্যক্তিগত সুখও ধ্বংস করেছে। জীবন এক দুঃসহ সুখের খেলা, এ খেলায় যারা মেতেছে তারা হেরে গেছে,একা হয়ে গেছে। ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেছেন, অন্তরের অনেক ব্যাধি রয়েছে। যেমন লৌকিকতা,অহংকার, আত্মম্ভরিতা, হিংসা, গর্ব,নেতৃত্বের মোহ, যমীনে প্রাধান্য বিস্তার ইত্যাদি। এ সকল রোগ সন্দেহ, লালসা এবং অজ্ঞতা থেকে সৃষ্ট। আমি বহু মানুষকে দেখেছি অর্থ-বিত্ত-বৈভবের অভাব ছিল না তাদের। অভাব ছিল আপনজন, বন্ধুবান্ধব ও কাছের মানুষদের নৈকট্যের।
একবার ভাবুনতো, সালমান এফ রহমান এর কি অর্থবিত্তের অভাব ছিল? কিন্তু কেন আজ এই পরিণতি? লোভ,মোহ,ক্ষমতা! মানুষের হক মেরে খাওয়ার পরিণতি। শেয়ার বাজারে লক্ষ লক্ষ লোককে সর্বশান্ত করার পরিণতি। তার ঈমানি শক্তি এতোটাই দুর্বল যে,দাড়ি পর্যন্ত ফেলে দিতে হলো। মানুষের আসলে কিছু হাইপোথেটিক্যাল পাওয়ার থাকে,এজন্যই হয়তো তাকে ভন্ড দরবেশ বলতো। আজ তার পাশে কেউ নেই।সাধারণ মানুষ ভাবতো, তারা কত সুখী। নাম, যশ, অর্থ, বিত্ত সব আছে তাদের। বস্তুবাদী পৃথিবীর সব আছে তাদের।আজ তিনি কত অসহায়! সুখ আছে যেখানে, সেখানটায় তিনি খুব অসহায়। জীবনটা বুঝি এমন এক রহস্যের নাম। আহা! কী অদ্ভুত সুখের পরিহাস। মানুষের ওড়ানো রঙিন ফানুসের মতো।
আমার প্রশ্ন জাগে-কেন বিগত সরকারের সকল মন্ত্রী এম পি,কতিপয় আমলাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হলো, বায়তুল মোকাররম এর মসজিদের খতিব, বিচারপতি মানিক মহোদয়কে পালাতে হলো? এর দ্ধারা কি আপনারা নিজেদের অপরাধী প্রমাণ করছেন না? ইতিহাসকে কলংকিত করছেন না? মিডিয়ার মাধ্যমে – এটাও শুনেছি মাননীয় সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে জোর করে ফ্লাইটে তুলে দেয়া হয়েছে। তাঁর চলে যাওয়াটাকেও আমি যৌক্তিক মনে করিনি। বঙ্গবন্ধু কন্যাকে কেন চলে যেতে হবে?
আপনি এদেশকে তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্রতম দেশ থেকে স্বল্পোন্নত দেশ করেছেন,অত:পর উন্নয়নশীল দেশ করেছেন,লক্ষ লক্ষ লোককে আশ্রয়ণ এর ব্যবস্থা করছেন,বয়ষ্ক ভাতা,বিধবা ভাতা,মুক্তিযোদ্ধা ভাতা দিয়েছেন,পদ্মাসেতু, এলিভেটেড এক্সপ্রেস,টানেল, হাজার হাজার সেতু কালভার্ট, পুল সহ অনেক দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছেন,খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়েছেন, জিডিপির হার বাড়িয়েছেন,শিক্ষার হার বাড়িয়েছেন – এরপরও কেন আপনাকে দেশ ছেড়ে যেতে হলো? এর কারণ – আপনার দাম্ভিকতা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, অন্যকে অসন্মান করা, আলেম ওলেমাদের সন্মান না দেয়া,ক্ষমতার মোহ, কতিপয় লোকের হাজার হাজার কোটি টাকার অর্থ পাচার, হাইব্রীড নেতা ও চাটুকারদের প্রাধান্য দেয়া ইত্যাদি।আপনার ব্যক্তিগত জীবনের কোনো করাপশনতো ছিলোনা, চারপাশের চাটুকারেরাই এবং বর্ণিত ভুলগুলো আপনার সমস্ত অর্জনকে ম্লান করে দিয়েছে।কী দরকার ছিল ড.মুহাম্মদদ ইউনূস স্যারকে অসন্মান করার? আপনি সন্মান না করলেও ওনিতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তি, কী দরকার ছিল – মাননীয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রাখার,জনাব তারেক জিয়াকে নির্বাসনে রাখার? জেলে রেখেও বিরোধী মতকে দমানো যায়না! সাধারণ মানুষ এগুলোকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মনে করে।কী দরকার ছিল জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার? সবচেয়ে জঘন্য পাপ ছিল – গণতন্ত্রকে হত্যা অর্থাৎ ভোটের অধিকার হরণ এবং গুম সংস্কৃতি। একজন সাধারণ মানুষও এটাকে পছন্দ করতে পারেনি।কেননা দিনশেষে সকলেই এদেশের নাগরিক? আপনি সুশাসন ও শুদ্ধাচার নিয়ে অনেক চেষ্টা করেছেন, কিন্তু আপনার চারপাশের কিছু চাটুকার ব্যক্তিগত লাভের জন্য অনেক দূর্নিতীবাজ কর্মকর্তাদের শুদ্ধাচার পুরুষ্কার দিয়েছে।আপনার চারপাশে এতোটা শক্ত বলয় ছিল যে,আপনি হয়তো আসল চিত্রটা টের করতে পারেননি।আজ তারাও পলাতক। ইউপি নির্বাচনেও দলিয় মনোনয়ন দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের জনবিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।কারণ এরা মনে করতো দলের নমিনেশন পেলেই হলো, ভোট ছিনিয়ে নেয়া যাবে। আজ যদি শক্তিশালী গণতন্ত্র, শক্তিশালী বিরোধী দল থাকতো তাহলে আপনার দল, আপনার নেতারা এতো ভুল করতে পারতোনা।আজ যদি বিরোধী মতকে সন্মান দেখানো যেতো, জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারতো – আপনার মন্ত্রী এম পি দের এই করুণ পরিণতি হতোনা। কেননা অতীতে আমরা দেখেছি কিভাবে একজন রাজনীতিবিদ ভিন্ন মতের একজন রাজনীতিবিদকে সন্মান করে। আরও একটি ভুল ছিল আপনি ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ণ না করে সংসদকে কোটিপতিদের ক্লাবে পরিণত করেছেন,তারাই মহান সংসদকে কলংকিত করেছে,কালো টাকার পাহাড় বানিয়েছে। আপনার দল জনগণ নির্ভর না হয়ে আমলা ও পুলিশ নির্ভর হয়েছে। কোটিপতিরা কতিপয় আমলার পকেট ভারী করেছে।এদের সংখ্যা খুবই কম সবচেয়ে – জঘন্য ভুলটি ছিল- আপনার সন্তানদের বুকে গুলি চালোনো।একজন অভিভাবকও এটাকে মেনে নিতে পারেনি।আমিও পারিনি। পৃথিবীর কোনো বাবা মা সন্তানের বুকে গুলি মেনে নিতে পারেনা। আপনি যে ক্ষত নিয়ে আজও কান্না করছেন, সন্তানকে হারিয়ে সে সকল বাবা মাও কান্না করছে,ভবিষ্যতে কান্না করবে,কারণ যার সন্তান গেছে সে বুঝে বাবার কাঁধে সন্তানের লাশ কতোটা ভারী।এটাই বাস্তবতা, এই বাস্তবতাকে মেনে নিতেই হবে। আমি কোনো রাজনীতিক নয়, আমার কোনো রাজনীতিক পরিচয়ও নেই।একজন সাধারণ মানুষের চোখ দিয়েই এই সত্যগুলো আমি উপলব্ধি করেছি। তাছাড়া এদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে অনেক ভালোবাসি, সেই তাগিদ থেকেই বঙ্গবন্ধু কন্যা হিসেবেই এই কথাগুলো বললাম।যাতে ভবিষ্যতে দল গুছাতে গিয়ে এ বিষয়গুলো মাথায় রাখেন। সন্তান হারানো মায়ের ক্ষত মুছে আপনার দল গুছাতে হয়তো সময় লাগবে,যদিও বিশাল কর্মী বাহিনী আছে।তবে নিম্নসংস্কৃতির দূর্বৃত্ত কর্মীবাহিনীকে মানুষ ভয় করলেও পছন্দ করেনা,কিছুতেই না।তাই এদের বাদ দিয়ে পরিচ্ছন্ন ক্লিন ইমেজের নেতা কর্মীদের নিয়েই এগুতে হবে।রাজনীতিকভাবে আমি অপরিপক্ক হলেও রাজনীতি বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আমি আমার পড়ালেখা ও অবজার্ভেশন থেকে যা সঠিক মনে করেছি সেটাই বলেছি। আমার আলোচনার প্রসঙ্গ ছিল -ক্ষমতা,লোভ মোহ – এগুলো ভয়ংকর নেশা। তাই প্রাসঙ্গিক ভাবেই উপরোক্ত কথা গুলো বললাম।এবার ইতিহাস থেকে কিছু প্রসঙ্গ টানছি।
আপনারা নিশ্চই জানেন – মোগল সাম্রাজ্য ভারতবর্ষে তিন শতাধিক বছর ধরে রাজত্ব করেছিল। সুখকে উপজীব্য করে মোগল পরিবারের জীবনের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল। সেই সুখটা জীবনবোধের আনন্দজাগানিয়া সুখ ছিল কি না, সেটা যাচাই করাটা খুব কঠিন। কিন্তু অর্থবিত্ত, প্রভাব-প্রতিপত্তি দিয়ে যদি সুখকে পরিমাপ করা হয়, তবে সেটার অস্তিত্ব ছিল। সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর থেকে ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু হয়ে পড়া এই বিশাল সাম্রাজ্য শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের পতনের সঙ্গে সঙ্গে নিঃশেষ হয়ে যায়। সব সুখ, সুখের অভিনয়ের সমাপ্তি ঘটে। বিখ্যাত সুফী দার্শনিক ও কবি খাজা হাসান নিজামী ‘বেগমাত কে আঁসু’ বইটিতে মোগল সাম্রাজ্যের পতনের পর সেই পরিবারে একসময়ের সুখী মানুষদের করুণ পরিণতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একসময় যারা সুরম্য অট্টালিকায় চাকরবাকর, খানাপিনা আর ঐশ্বর্যের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছিল। সুখের পাখিটা তাদের হাতছাড়া হতেই সব যেন বদলে যায়। এই পরিবারের কাউকে ঠেলাগাড়ি চালিয়ে জীবন নির্বাহ করতে হয়েছে। কাউকে গবাদিপশুর জন্য ঘাস কেটে নিজের পেটের খাদ্যের সংস্থান করতে হয়েছে। কাউকে দিল্লির রাস্তায় ভিক্ষার থলি হাতে নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে। এই বংশের শাহাজাদী আর রাজমাতাদের সেবায় যে অসংখ্য ভৃত্য নিয়োজিত ছিল, এই কঠিন দুঃসময়ে তাদের অনেকেই রাজবংশের এই নারীদের অসহায় অবস্থায় ফেলে চলে যায়। ভৃত্যরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘরের মূল্যবান সম্পদ তাদের সঙ্গে নিয়ে যায়। সুখ এমনই, কখন কাচের স্বর্গ ভেঙে শরীরের কঙ্কালটা বের করে এনে সত্যকে নির্মমভাবে আঘাত করবে, কেউ জানে না। আসলে আমরা যেটাকে সুখ ভাবি, সেটা হয়তো সুখ নয়; যেটাকে সুখ ভাবি না, সেটাই হয়তো সুখ। সুখের একটা অসুখ থাকে, সেটা চোখ দিয়ে দেখা যায় না, অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করতে হয়। তাই এটাও ঠিক সুখ আসলে বাস করে অন্তরে।একটা কথা বলি – আমার মনে হয় সুখটা আসলে নির্মোহ জীবন যাপনের মধ্যে,
স্প্রিরিচুয়ালিটির মধ্যে। যিনি যে ধর্মই পালন করুন না কেন – ধার্মিক হোন,স্রষ্টাকে ভয় করুণ।দেহ ও আত্মা পরিশুদ্ধ থাকবে।মন ভালো থাকবে, সুখ থাকবে। ছোটবেলা থেকে আমার স্পিরিচুয়াল ভাবনা ছিল। বয়স বাড়তে বাড়তে এই স্পিরিচুয়াল ভাবনাটা অনেক বেশি ডেভেলপ হয়েছে। তাই মাঝেমধ্যে ভাবনার অনেক গভীরে চলে যেতে পারি। গভীরে যখন যাই, চোখ দিয়ে টপটপ করে শুধু পানি পড়ে। এই বয়সে এসে আমার মনে হয়, মৃত্যুটাই বোধ হয় সবচেয়ে শান্তির। মরার পর জাগতিক জীবনের কোনো চিন্তা থাকে না, ভাবনা থাকে না। কোনো পরিকল্পনা থাকে না, মায়া-মমতা কিছুই থাকে না, থাকে না কোনো চাওয়া-পাওয়া। মৃত্যু একটি ঘুম, চমৎকার একটা ঘুম। সবকিছু ছেড়েছুড়ে একসময় চলে যাওয়া। মৃত্যু অন্য জীবনে অনন্ত ঘুম। সেই ঘুমের মধ্যে কী হবে না হবে, তা তো শুধু একমাত্র স্রষ্টাই জানেন। তবে আমার মৃত্যুটা যেনো হয় ঈমানের সহিত – মহান আল্লাহর কাছে এটাই প্রার্থণা করি। পরিশেষে বলবো – আমাদের সবাইকে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে, স্পিরিচ্যুয়াল হতে হবে। স্রষ্টার আনুগত্য করলে, স্রষ্টার কাছে সাহায্য চাইলে তিনিই সঠিক পথে পরিচালনা করবেন।কেননা – কোনো ধর্মেই অকল্যাণের কথা বলা হয়নি।আমাদের রাসুল (সা:) বিদায় হজ্ব এর ভাষণে সকল ধর্ম বর্ণের মানুষের প্রতি কি আচরণ করতে হবে,কিভাবে চলতে হবে সেই দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। বিদায় হজ্ব এর ভাষণে রাসুল (সা:) শুধু মুসলমানদের উদ্দেশ্যে বলেননি।এড্রেস করেছেন- মানব সকলকে।
রাসুল (সা:) বলেছেন – হে মানব সকল ‘ কোনো অনারবের ওপর কোনো আরবের; কোনো আরবের ওপর কোনো অনারবের, এমনিভাবে শ্বেতাঙ্গের ওপর কৃষ্ণাঙ্গের এবং কৃষ্ণাঙ্গের ওপর শ্বেতাঙ্গের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই; তবে তাকওয়ার ভিত্তিতে। সব মানুষ আদম (আ.)-এর সন্তান আর আদম (আ.) মাটি দ্বারা সৃষ্ট।’ এরপর বলেছেন ‘ ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে না; কেননা, তোমাদের পূর্ববর্তী বহু জাতি ধর্মীয় বিষয়ে বাড়াবাড়ি করার কারণে ধ্বংস হয়েছে। তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করবে; পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে, রমজান মাসে রোজা রাখবে, সন্তুষ্ট চিত্তে সম্পদের জাকাত প্রদান করবে, স্বীয় প্রভুর ঘরে এসে হজ পালন করবে; তাহলে তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।’
‘তোমরা কোনো জুলুম করবে না, বরং তোমাদের প্রতিও কোনো জুলুম করা হবে না। জাহিলি যুগের যত রক্তের দাবি, তা সব রহিত করা হলো।’
উপরোক্ত কথাগুলোতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলেগেছেন।বলেছেন- সকল মানুষ হযরত আদম (আ:) এর সন্তান। এভাবে বেশকিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। বিদায় হজ্ব এর ভাষণের প্রত্যেকটি কথায় অনুকরণীয়।যে আমল করবে সেই লাভবান হবে আমি চেষ্টা করি রাসুল ( সা:) এর শেষ দিক নির্দেশনা প্রতিপালন করতে।
পরিশেষে পবিত্র কুরআনের ৪ টি মোটিভেশনাল শব্দ দিয়েই শেষ করছি, শব্দগুলো ছোট্ট কিন্তু ব্যাপক অর্থবোধক ও উপকারীঃ
১. “লা তাহযান” – অতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না।
২. “লা তাখাফ”- ভবিষ্যৎ নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না, তা ছেড়ে দিতে হবে আল্লাহর কাছে।
৩. “লা তাগদাব”- জীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে, রাগ করবেন না।
৪. ” লা তাসখাত”- আল্লাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না।
আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে আমল করে, ন্যায় পথে চলার তৌফিক দান করুন।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
error: protected !!

Copyright© 2025 All reserved