ঢাকা, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র, ১৪৩১, ৫ শাওয়াল, ১৪৪৬
সর্বশেষ
বিএনপি চেয়ারপারসন’র উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর চন্দ্রনাথ মন্দির পরিদর্শন
বিএনপির গ্রুপ সংঘর্ষে: আহত যুবদল নেতা জিহাদের মৃত্যু
লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনায় আহতদের পরিদর্শনে:উপদেষ্টা ফারুক ই আজম-মেয়র শাহাদাত
সন্দ্বীপ ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট’স ফোরাম’র ঈদ পুনর্মিলন
জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্যোগে সাতকানিয়ায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
ফটিকছড়িতে পিবিআই তদন্ত শেষে বাদির উপর বিবাদীর হামলা
 “বাংলাদেশের চিত্র” পরিবার’র দ্বিতীয় দফায় ঈদ উপহার বিতরণ
৬৫০ টাকা কেজি গরুর মাংস, ডিম ডজন ১০৮ টাকা
রাষ্ট্র সংস্কারে প্রাণ দিতে হয় দিব : প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে আসব (এনসিপি)

রান্নার জন্য কোন তেল ভালো?

স্বাস্থ্যকর রান্নার জন্য তেল নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কিছু তেল শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে, আবার কিছু তেল অতিরিক্ত ফ্যাট বা ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে। তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে, সঠিক তেল নির্বাচন স্বাস্থ্য রক্ষা এবং হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

কিছু স্বাস্থ্যকর তেল এর তালিকা দেওয়া হলো, যা আপনি রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন

অলিভ অয়েল (Olive Oil)
ফায়দা: অলিভ অয়েল বিশেষভাবে মোনোসাচুরেটেড ফ্যাট (Monounsaturated fats) সমৃদ্ধ, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন E তে সমৃদ্ধ, যা ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী। কখন ব্যবহার করবেন: সালাদ ড্রেসিং, স্যুপ, পাস্তা, এবং হালকা সাঁতলানো বা স্টির-ফ্রাইতে ব্যবহার করা যেতে পারে। উচ্চ তাপমাত্রায় ব্যবহার কম করতে হবে, কারণ এটি ধোঁয়া দেওয়ার আগেই গুণগত মান হারাতে পারে।

ক্যানোলা অয়েল (Canola Oil)
ফায়দা: ক্যানোলা অয়েল অলিভ অয়েল এর মতোই মোনোসাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ এবং এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। কখন ব্যবহার করবেন: এটি বিভিন্ন ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন ভাজা, সাঁতলানো, বা বেকিং। এটি উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে, তাই ফ্রাইং এবং বেকিংয়ে ব্যবহার করা ভালো।

কোকোনাট অয়েল (Coconut Oil)
ফায়দা: কোকোনাট অয়েল স্যাটুরেটেড ফ্যাট (Saturated fat) সমৃদ্ধ, তবে এটি বিশেষ ধরনের ফ্যাট (MCTs বা Medium-Chain Triglycerides) থাকে, যা দ্রুত শক্তিতে পরিণত হয় এবং শরীরের জন্য সহজে হজমযোগ্য। এটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণে সমৃদ্ধ। কখন ব্যবহার করবেন: এটি সাধারণত বেকিং, ব্রেড, কেক, কুকি, ক্যারী রান্না এবং স্টির ফ্রাই করতে ব্যবহার করা যায়। তবে, অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এটি অধিক স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

সানফ্লাওয়ার অয়েল (Sunflower Oil)
ফায়দা : সানফ্লাওয়ার অয়েল পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (Polyunsaturated fats) সমৃদ্ধ, যা শরীরের ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন E রয়েছে, যা ত্বকের জন্য ভালো। কখন ব্যবহার করবেন : এটি ভাজা, স্টির ফ্রাই, বেকিং এবং সস তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি উচ্চ তাপমাত্রায় ভালো থাকে, তাই এটি ফ্রাইংয়ের জন্য উপযুক্ত।

অ্যাভোকাডো অয়েল (Avocado Oil)
ফায়দা : অ্যাভোকাডো অয়েল মোনোসাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ এবং এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন E রয়েছে। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। কখন ব্যবহার করবেন : এটি স্টির-ফ্রাই, সালাদ ড্রেসিং, এবং রোস্টিং-এ ব্যবহৃত হতে পারে। এটি উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে, তাই গরম রান্নায় ব্যবহৃত হতে পারে।

গ্রেপসিড অয়েল (Grapeseed Oil)
ফায়দা : গ্রেপসিড অয়েল পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ এবং এতে ভিটামিন E এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি হৃৎস্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্য উপকারী। কখন ব্যবহার করবেন : এটি ভাজা, স্টির ফ্রাই এবং বেকিং-এ ব্যবহৃত হতে পারে। এটি উচ্চ তাপমাত্রায় ভালো থাকে।

পাম অয়েল (Palm Oil)
ফায়দা : পাম অয়েল ভিটামিন A এবং ভিটামিন E সমৃদ্ধ। তবে, এটি সেটুরেটেড ফ্যাট-এ বেশি সমৃদ্ধ, তাই অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত। কখন ব্যবহার করবেন : এটি ভাজা বা কুকিং-এ ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে স্বাস্থ্য সচেতনদের এটি ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

পেস্তা অয়েল (Peanut Oil)
ফায়দা : পেস্তা অয়েল পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং মোনোসাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। কখন ব্যবহার করবেন : এটি ফ্রাইিং এবং স্টির ফ্রাই-এ ব্যবহৃত হতে পারে।

খেজুর তেল (Date Palm Oil)
ফায়দা : খেজুর তেল অনেকটা স্বাস্থ্যকর এবং এতে ভিটামিন E ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের জন্য উপকারী। তবে এটি সেটুরেটেড ফ্যাট-এ বেশি সমৃদ্ধ, তাই সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করা উচিত। কখন ব্যবহার করবেন : এটি সাধারণত বেকিং এবং ব্রেড তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

কোন তেল এড়িয়ে চলবেন?
হাইড্রোজেনেটেড তেল (Trans fats): যেমন মার্জারিন এবং প্রসেসড তেল। এগুলো স্বাস্থ্যগতভাবে ক্ষতিকর হতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট-যুক্ত তেল: যেমন কৃষ্ণ তেল (Lard) এবং গম তেল।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
error: protected !!

Copyright© 2025 All reserved