চট্টগ্রাম রাউজানের কৃতি সন্তান বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, চট্টগ্রামের বিএনপির রাজনীতির বটবৃক্ষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা আবদুল্লাহ আল নোমান আর নেই। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া-ইন্নাইলাইহি রাজিয়ূন)
আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) ভোর ৬:০০ টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
বিএনপির অন্যতম রাজনীতিবিদ চট্টগ্রামের বিএনপি’ অভিভাবক পথ প্রদর্শক দিকনির্দেশক এর মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে স্থানীয় এলাকায়। সারা চট্টগ্রাম বিএনপি সহ দেশের সকল রাজনীতি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে।
বর্ষীয়ান এই জননেতার মৃত্যুতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করে উনার রূহের মাগফিরাত কামনা ও শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছেন সকলে।মহান রাব্বুল আলামিন ভাইকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন।
উল্লেখ্য : আবদুল্লাহ আল নোমান ১৯৯১ সালে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ষাটের দশকের শুরুতে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে নোমান যোগ দেন ছাত্র ইউনিয়নে। মেননপন্থি ছাত্র ইউনিয়নের চট্টগ্রাম মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক, বৃহত্তর চট্টগ্রামের সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্রজীবন শেষে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর হাত ধরে যোগ দেন শ্রমিক রাজনীতিতে। পূর্ববাংলা শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ছিলেন।
ভাসানীপন্থি ন্যাপের রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত হন। ১৯৭০ সালে তাকে ন্যাপের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। যুদ্ধ শেষে আবারও ন্যাপের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকেন।
জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠনের পর ১৯৮১ সালে যোগ দেন দলটিতে। চট্টগ্রামের রাউজান ও কোতোয়ালি আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন।