ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ২০ চৈত্র, ১৪৩১, ৪ শাওয়াল, ১৪৪৬
সর্বশেষ
লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনায় আহতদের পরিদর্শনে:উপদেষ্টা ফারুক ই আজম-মেয়র শাহাদাত
সন্দ্বীপ ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট’স ফোরাম’র ঈদ পুনর্মিলন
জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্যোগে সাতকানিয়ায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
ফটিকছড়িতে পিবিআই তদন্ত শেষে বাদির উপর বিবাদীর হামলা
 “বাংলাদেশের চিত্র” পরিবার’র দ্বিতীয় দফায় ঈদ উপহার বিতরণ
৬৫০ টাকা কেজি গরুর মাংস, ডিম ডজন ১০৮ টাকা
রাষ্ট্র সংস্কারে প্রাণ দিতে হয় দিব : প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে আসব (এনসিপি)
সুবিধাবঞ্চিত অসহায়দের ঈদ উপহার : বাংলাদেশের চিত্র প্রত্রিকা পরিবার
জলাবদ্ধতা নিরসনে মেয়র শাহাদাতের সক্রিয় নির্দেশনা: সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে

পেঁয়াজ চাষে ফসল হয়েছেন মাগুরার মুন্সী জাহাঙ্গীর

চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মুন্সী জাহাঙ্গীর হোসেন। ঠিকাদারি ব্যবসা ও রাজনীতির পাশাপাশি একজন বোদ্ধা কৃষিজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তিনি রাত-দিন কঠোর পরিশ্রম করেন। অন্যান্য চৈতালী ফসলের পাশাপাশি তিনি এ বছর প্রায় ১৫০ শতক জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এরমধ্যে এক শ’ শতক জমিতে ‘সুখ সাগর’ জাতের পেঁয়াজ ও ৫০ শতক জমিতে ‘লাল তীর কিং’ জাতের পেঁয়াজ রোপন করেছেন। উভয় জাতের পেঁয়াজই অনেক ভালো হয়েছে। এবছর আশাতীত উৎপাদন হবে বলে তিনি আশা করছেন।
পেঁয়াজ চাষি মুন্সী জাহাঙ্গীর বলেন, আমি বাজার থেকে ‘সুখ সাগর’ ও ‘লাল তীর কিং’ জাতের বীজ কিনে তা জমিতে রোপণ করি। প্রতি শতক জমিতে পেঁয়াজের বীজ (দানা) থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রায় ১২ শ’ টাকার মত খরচ হয়েছে। এতে তার আনুমানিক দেড় লক্ষ টাকার মতো খরচ হয়েছে। এছাড়া রয়েছে নিজের শ্রম। সামনে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলে বাড়ি অবধি নিতে আরও কিছু খরচ আছে। তবে, ‘সুখ সাগর’ জাতটা খুবই ভালো জাত। এটা শতকে ২ থেকে তিন মণ উৎপাদন হয়। ‘লাল তীর কিংও মোটামুটি ভালো। এটা শতকে এক থেকে ২ মণ ফলনের আশা করছি। তবে ‘সুখ সাগরে’র খরচটা একটু কম। এতে সার একটু কম লাগে। কিন্তু, ‘সুখ সাগর’ পেঁয়াজের দাম প্রতিমণ ১৫ শ’ টাকা এবং ‘লাল তীর কিং’ ২ হাজার টাকা মণ হলে কৃষকরা বা আমরা লাভবান হবো। এটা হলে আমদের কৃষকরা বাঁচবে, আমিও বাঁচবো। তবে এর কম হলে আমাদের লস হয়ে যাবে।
এ পেঁয়াজ উৎপাদনে ইউরিয়া, টিএসপি, পটাশ, জিপশাম, ডিএপি, জৈব সারসহ বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও ভিটামিন জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সালমা জাহান নিপা বলেন, চলতি মৌসুমে এ উপজেলা রেকর্ড পরিমাণ পেঁয়াজের চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া পেঁয়াজ চাষের অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো হবে। এ বছর মাঠে মাঠে পেঁয়াজ আর পেঁয়াজ। উপজেলার পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দ্বিগুণ উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
error: protected !!

Copyright© 2025 All reserved