ঢাকা, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র, ১৪৩১, ৫ শাওয়াল, ১৪৪৬
সর্বশেষ
বিএনপি চেয়ারপারসন’র উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর চন্দ্রনাথ মন্দির পরিদর্শন
বিএনপির গ্রুপ সংঘর্ষে: আহত যুবদল নেতা জিহাদের মৃত্যু
লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনায় আহতদের পরিদর্শনে:উপদেষ্টা ফারুক ই আজম-মেয়র শাহাদাত
সন্দ্বীপ ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট’স ফোরাম’র ঈদ পুনর্মিলন
জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্যোগে সাতকানিয়ায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
ফটিকছড়িতে পিবিআই তদন্ত শেষে বাদির উপর বিবাদীর হামলা
 “বাংলাদেশের চিত্র” পরিবার’র দ্বিতীয় দফায় ঈদ উপহার বিতরণ
৬৫০ টাকা কেজি গরুর মাংস, ডিম ডজন ১০৮ টাকা
রাষ্ট্র সংস্কারে প্রাণ দিতে হয় দিব : প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে আসব (এনসিপি)

ছোট বাচ্চারা খেলাধুলা করতে কেন ভালোবাসে

ছোট বাচ্চারা খেলাধুলা করতে ভালোবাসে কারণ এটি তাদের প্রাকৃতিক প্রবৃত্তি এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাচ্চাদের জন্য খেলা একটি মজাদার এবং আনন্দদায়ক কার্যকলাপ, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

বাচ্চাদের খেলাধুলা করার পেছনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ দেওয়া হলো

শারীরিক শক্তি ও ফিটনেস বৃদ্ধি- ছোট বাচ্চারা খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের শারীরিক শক্তি এবং ফিটনেস বৃদ্ধি পায়। তারা দৌড়াতে লাফাতে হাত-পা নেড়ে খেলা করতে ভালোবাসে, যা তাদের পেশী, হাড় এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলোর বিকাশে সহায়ক। খেলার মাধ্যমে তাদের শারীরিক ক্ষমতা এবং শক্তি বাড়ে, যা তাদের সুস্থ এবং শক্তিশালী রাখে।

মজা ও আনন্দের অভিজ্ঞতা- খেলা বাচ্চাদের জন্য মজা এবং আনন্দের একটি বড় উৎস। এটি তাদের কল্পনা শক্তি ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে। খেলা তাদের একটি মনের প্রশান্তি এবং আনন্দ দেয়, যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো
রাখে।

সামাজিক সম্পর্ক গঠন- বাচ্চারা খেলাধুলার মাধ্যমে বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতা শিখে। তারা একে অপরের সাথে খেলতে পছন্দ করে এবং নতুন বন্ধু তৈরি করতে পারে। খেলার সময় তারা দলগত কাজ শিখে, যার মাধ্যমে তাদের সামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তারা একে অপরের সাথে সমন্বয় করতে শেখে।

শিক্ষা ও মানসিক বিকাশ- খেলার মাধ্যমে বাচ্চারা অনেক কিছু শেখে। বিভিন্ন খেলাধুলায় সমস্যা সমাধান এবং কৌশলগত চিন্তা করার সুযোগ থাকে, যা তাদের বুদ্ধিমত্তা ও মনোযোগ উন্নত করে। তারা খেলার মাধ্যমে নিয়ম মেনে চলা, বিজয় ও পরাজয় মেনে নেওয়া, এবং ধৈর্য ধরার মতো মূল্যবান শিক্ষা পায়।

স্বাধীনতা ও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া- খেলা বাচ্চাদের স্বাধীনতা এবং নির্বাচনের স্বাধীনতা প্রদান করে। তারা যখন খেলে, তখন তারা অনেক সময় তাদের নিজের পছন্দ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যা তাদের
আত্মবিশ্বাস এবং স্বাধীন চিন্তা তৈরিতে সহায়ক। খেলাধুলা তাদেরকে আত্মনির্ভরশীল এবং স্বাধীনভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

শরীরী কার্যকলাপ ও শক্তির নিঃসরণ- ছোট বাচ্চাদের শরীরের অনেক বেশি শক্তি থাকে, এবং খেলাধুলার মাধ্যমে তারা তাদের অতিরিক্ত শক্তি নিঃসরণ করে। তাদের শারীরিক শান্তি এবং মানসিক প্রশান্তি অর্জনে সাহায্য করে, কারণ খেলাধুলা তাদেরকে শারীরিকভাবে ক্লান্ত করে এবং তারা পরে ভালো ঘুমাতে পারে।

কল্পনা ও সৃজনশীলতা- খেলার মাধ্যমে বাচ্চারা তাদের কল্পনা এবং সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পারে। তারা নতুন নতুন খেলা এবং কল্পনা করতে পছন্দ করে, যা তাদের মানসিক বিকাশে সহায়ক। খেলাধুলা শিশুদের মনের গভীরে লুকানো সৃজনশীলতা এবং চিন্তাভাবনা বের করে
আনে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
error: protected !!

Copyright© 2025 All reserved